অনবরত-জিজ্ঞাসিত-প্রশ্ন



{:bd}৫) বয়ঃসন্ধিকালে মেয়েদের শারীরিক পরিবর্তনগুলো কি?

{:bd}

যখন একটি মেয়ে ১০-১২ বছর বয়সে পৌঁছে, তখন তার শারীরিক পরিবর্তন শুরু হয়। এই বয়সে মেয়েদের দেহে হরমোন তৈরি হয়। হরমোনের কারনে মেয়েদের শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন ঘটতে থাকে। যেমন- উচ্চতা বাড়ে, মাসিক শুরু হয়, স্তন বড় হয়, বগলে ও যৌনাঙ্গে লোম গজায় ইত্যাদি।
এই পরিবর্তনগুলোই হচ্ছে একটি মেয়ের বড় হয়ে ওঠার স্বাভাবিক লক্ষণ।

৬) বড় হলে ছেলেদের গলার স্বর ভেঙে মোটা হয়ে যায় কেন?

গলার স্বর মানুষের ভোকাল কর্ড নামক অঙ্গের ওপর নির্ভর করে। বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের ভোকাল কর্ড এর পরিবর্তন হয়। যার ফলে তাদের গলার স্বর ভেঙ্গে যায় এবং ভারি হয়।

৭) স্বপ্নদোষ কি কোনো অসুখ? অনেকে বলে স্বপ্নদোষ হলে শরীরের সব শক্তি বের হয়ে যায়। আসলে কি হয়?

স্বপ্নদোষ কোনো অসুখ নয়। বয়ঃসন্ধিকালে স্বপ্নদোষ একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। স্বপ্নদোষের মাধ্যমে শরীরের কোন শক্তি বের হয় না এবং শরীর দুর্বলও হয় না। বয়ঃসন্ধিকাল থেকে ছেলেদের শরীরের ভিতর বীর্য তৈরি হয় এবং স্বাভাবিক নিয়মেই আবার তা শরীর থেকে বের হয়ে যায়। শরীরের ভিতরে বীর্য ধরে রাখার কোনো উপায় নেই। তাই এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। তবে স্বপ্নদোষ হয়ে কাপড় ভিজে যাওয়ায় অনেক ছেলেই অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়ে। প্রায় সব ছেলেরই এ রকম হয়ে থাকে এবং এটি তোমার বেড়ে ওঠায় কোনো বাধা নয়। তবে যদি কেউ প্রয়োজন মনে করে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারে।

৮) সেক্স ও জেন্ডার কি?

‘সেক্স’ নারী ও পুরুষের শারীরিক পার্থক্য নির্দেশ করে। ‘জেন্ডার’ সমাজ কর্তৃক সৃষ্ট নারী-পুরুষের মধ্যকার পার্থক্য নির্দেশ করে। জন্মগতভাবে ছেলে ও মেয়ে শিশুর মধ্যে লিঙ্গগত পার্থক্য ছাড়া আর কোনো পার্থক্য না থাকলেও পরবর্তীতে সামজিক কারনে নারী ও পুরুষের মধ্যে ‍আচার আচরনের ক্ষেত্রে ব্যাপক পার্থক্য দেখা যায়। সামাজিকভাবে তৈরী নারী ও পুরুষের পরিচয়, তাদের মধ্যকার সম্পর্ক এবং ভূমিকাকেই জেন্ডার বলা হয়।